প্রতি ৫০ বছরে এমন ফুটবলারের দেখা মেলে: ইয়ামালকে নিয়ে কোচের বিশ্লেষণ
ফুটবলের এক অনন্য দিক—অবিশ্বাস্য প্রতিভার অনন্য ধারা
ফুটবল এক অদ্ভুত খেলায়, যেন প্রতিভা ঝুলছে আকাশে। মাঝে মাঝে দেখা যায়, এমন ফুটবলার আসে, যার প্রতিভা সবাইকে চমকে দেয়। এই খেলোয়াড়রা সাধারণের থেকে আলাদা। তারা ৫০ বছর বা তারও বেশি সময় পরমাত্র দেখা যায়। তাদের জীবনে একটা আলাদা জ্যোতি জ্বলে ওঠে। তাহলে আবার কেন কিছু নির্দিষ্ট প্রতিভাকে এতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়? কারণ, এমন ফুটবলাররা শুধু দলের জন্যই নয়, পুরো খেলাটার মান উন্নত করে।
লামিনে ইয়ামাল জন্মেছেন গোত্রের এক সাধারণ পরিবারের। ছোটবেলায় থেকেই ফুটবল ছিল তার প্রাণের খেলা। তার পরিবারের কেউ খেলোয়াড় ছিল না, তবু তার ভিতরে ফুটবলপ্রেমের আগুন ছিল প্রবল। ছোটবেলা থেকেই মাঠে জুড়ে থাকতেন, ফুটবল তার প্রাকৃতিক প্রেম। প্রথম খেলার শুরু হয় স্থানীয় ক্লাবে, যেখানে তার প্রতিভা ধরা পড়ে খুব দ্রুত। অল্প সময়েই তার নাম ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। তার ক্যারিয়ার খুব লিমিটেড হলেও, তার প্রতিভা ছিল অসাধারণ।
ইয়ামালের গোলগুলো দেখলে চোখ কপালে ওঠে। এমন গোল অবার জন্য দেখাও মুসকিল। তার স্কিল অনেকটাই পাল্টা-পাল্টি, দ্রুততার জোরে প্রতিপক্ষকে বেকায়দায় ফেলে দেয়। তার মনোযোগ ছিল খেলার ভিতর, খেলার প্রতি গভীর প্রেম। তার স্কিলের বৈচিত্র্য ও ফ্লেক্সিবিলিটি তাকে আলাদা করেছে। গতি, ধৈর্য্য ও খেলার ধরন—সব মিলিয়ে তিনি ছিলেন এক অনন্য প্রতিভা। তার স্বাক্ষরশৈলী দেখে মনে হয়, এই খেলোয়াড়কে অন্য কেউ অনুসরণ করতে পারবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, ইয়ামালকে তুলনা যায় দেশের সেরা ফুটবল তারকার সাথে। কিন্তু দাঁড়িয়ে তাকালে বোঝা যায়, তার গুণ ভিন্ন। তার দৌড়ের গতি, প্রতিপক্ষ কাটার দক্ষতা ও গোলের জন্য নিরবচ্ছিন্ন মনোভাব তাকে অনন্য করে তোলে। সেটাই তাকে আলাদা ও অনন্য বানিয়েছে অধিক।
নিজেদের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ছাড়া ইয়ামালের মত ফুটবলার যে এই পর্যায়ে যেতে পারে না। কোচেরা বলেন, ইয়ামালের দৃষ্টিতে আত্মবিশ্বাস ছিল শীর্ষে। তার প্রতিভা পুরো সময়ের জন্য পরিষ্কার। কোচেরা মনে করেন, তার মেন্টাল স্পিরিট ও পরিশ্রমই তাকে এই পর্যায়ে নিয়ে গেছে। তার উত্থানে কোচেরা সফল হয়েছেন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রশিক্ষণের সময় ইয়ামাল দারুণ অনুগত। সে ছিল দ্রুত ও কার্যকর ট্রেনিং রুটিনে। তার ফিটনেস নিয়ে ছিল কঠোর মনোযোগ। স্কিল ডেভেলপ করতে কোচেরা নানা কৌশল প্রয়োগ করতেন। তার জন্য প্রশিক্ষণের সময় ছিল অনেক বেশি মনোযোগের। প্রতিদিনের প্র্যাকটিসে সে যেন এক নতুন করে নিজেকে তৈরি করছে। বিভিন্ন কৌশল, শটপ্র্যাকটিস, ও শারীরিক ফিটনেস—সবকিছু এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ইয়ামালের মতো প্রতিভাকে অনুকরণীয় করে গড়ে তোলার উপায়
তরুণরা যদি এই গুণগুলো আয়ত্ত করতে চায়, তাদের জন্য কিছু মূল উপদেশ হলো:
- কঠোর পরিশ্রম ও পরিস্কার লক্ষ্য
- নিয়মিত প্র্যাকটিস ও ইচ্ছাশক্তি
নিজের দুর্বলতা চিহ্নিত করে মেরামত করা
কোচেরা বলছেন, মনোভাব ও প্রশিক্ষণের ধরণই পারে একজন প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে বিশ্বমানের খেলোয়াড় বানাতে।
এই ধরনের প্রতিভা খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন। এই খেলোয়াড়দের একজন জন্মের পরই চোখে পড়ে, কিন্তু তাঁদের যথাযথ মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি খুব কম। এই ধরনের খেলোয়াড়ের অভাবে পুরো ফুটবল জগৎ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নতুন প্রজন্মের জন্য ইয়ামাল যেমন একটা দৃষ্টান্ত, তেমনি অনুপ্রেরণার উৎস। তার মতো প্রতিভার সন্ধানে আমরা সবাই সচেতন হই। ভবিষ্যতেও যদি এমন প্রতিভা খুঁজে পাওয়া যায়, তবে তা ভবিষ্যতের ফুটবল চেহারা বদলে দিতে পারে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফুটবলপ্রেমীরাও এখন ইয়ামালের নাম জানে। তার খেলার ধরন ও গুণাবলী আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন। নানা দেশের ফুটবলাররা তার কৌশল অনুসরণ করছে। এটা প্রমাণ, তার প্রভাব কতোটা বড়।
বর্তমানে প্রতিভার খোঁজ ও বিকাশ কঠিন, কিন্তু সম্ভব। প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে কঠোর পরিশ্রম এবং সততার মাধ্যমে এই প্রতিভা উঠে আসে। তরুণদের জন্য শিক্ষণীয় বিষয় হলো, একাগ্রতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নতুন ইয়ামাল তৈরি করা সম্ভব। কোচের দায়িত্ব, মনোভাব ও পদ্ধতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিভার অভাব নেই, শুধু দরকার একটুখানি ভাগ্য আর সঠিক সুযোগ। এমন প্রতিভা আমাদের জন্য এক অনন্য সম্পদ। এক দশকের মধ্যে এমন একজন পাওয়া খুবই দুর্লভ, কিন্তু তার সামনে আমাদের হাত খুলে দরকার প্রশিক্ষণ ও উৎসাহ।https://sportsworldbd9022.blogspot.com/
প্রতি ৫০ বছরে পাওয়া এমন ফুটবলার আসলেই বিরল এবং খোজে মিলবে না সহজে। এই ধরনের প্রতিভা দিয়ে ফুটবল খেলার মান উন্নত হয়। ইয়ামালদের মতো প্রতিভা থাকলে, ফুটবল চিরকাল ভালো থাকবে। আমাদের এখনই উচিত, তরুণপ্রজন্মের উন্নয়নে সচেতন থাকা। কারণ, ভবিষ্যতে এটাই হবে নতুন ইতিহাসের সৃষ্টি।

